তবারক বিতরণের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০/২৫ জনের একদল কিশোর চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে অটোরিকশা চালক ইমনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত আসামীদের খুঁজছে পুলিশ। আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারর দাবীতে তিন শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে সাথে নিয়ে দুই দফা মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। এদিকে ঘটনার পর আসামীরা সবাই গা-ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ বলছে, সিসি ফুটেজ দেখে আসামীদের সনাক্ত করা হয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
যমজ দুই সন্তান মায়ের সাথে গেলো বাবার বাড়ীতে। কিন্তু বাবা বেঁচে নেই। গেলো ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে রাজারগাঁও ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তারেক আজিজের নেতৃত্বে উপজেলার ২ নং বাকিলা ইউনিয়নের জনতা বাজারে চারটি সিএনজিযোগে দেশীয় অস্ত্র, দা, হকিস্টিক লাঠি নিয়ে ইমনের উপর অতর্কিত হামলা করে। ওই হামলায় প্রাণ যায় ইমনের।
সরকারীভাবে পাওয়া একটি ঘরে বসবাস ইমনের পরিবারের। তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে স্ত্রী ও পরিবারের সবাই দিশেহারা। হামলার ঘটনায় সকলকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী পরিবার ও এলাকাবাসীর।
এদিকে ঘটনার পর পুলিশ রাজারগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কে এম ফয়েজ বাবু, মাসুদ ও পারভেজসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। তবে সিসি ফুটেজ দেখে হামলার নেতৃত্ব দেয়া তারেক আজিজসহ তার সহযোগীদের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
নিহত ইমনের বাবা হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে প্রধান আসামী জিলানী বেপারী, তারেক আজিজ, রাসেল সর্দারসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরো ৯/১০ জনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আসামীরা সবাই একই উপজেলার রাজারগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে ওই এলাকায় নেশা ও জুয়ার আসরসহ কিশোর গং তৈরির অভিযোগ রয়েছে।