মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং মন্ত্রী মো. মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে—এমন সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বুধবার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম এক বিবৃতিতে বলেন, “মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে থাকা সবাই সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে যুক্ত ছিলেন। তারা অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা। যারা প্রশাসনিকভাবে সহায়তা করেছেন, যেমন কর্মকর্তা-কর্মচারী, কূটনীতিক বা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সদস্যরা—তারা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত।”
তিনি বলেন, সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা মানেই তাঁদের সম্মান খাটো করা নয়। বরং মুক্তিযোদ্ধা ও সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা—দুই শ্রেণিই সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পান।
ফারুক ই আজম আরও জানান, ১৯৭২ সালের সংজ্ঞা অনুসারে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে এবং ২০১৮ ও ২০২২ সালে সেটি হালনাগাদ করা হয়। এ বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।