বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধের খবরে আনন্দ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। শনিবার (১০ মে) রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে এই আনন্দ মিছিল শুরু হয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে শেষ হয়।
এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্র শিবির, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, জমিয়তে তলাবায়ে আরাবিয়া, খেলাফত ছাত্র মজলিসসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তারা, ‘এই মুহূর্তে খবর এলো, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলো; দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা; ক্ষমতা না জনতা, জনতা জনতা; ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ;’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়।
ইবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, ‘আজ আট-নয় মাস পরে একটি জিনিস প্রতীয়মান হয়েছে, তা হচ্ছে— বাংলাদেশের জনগণ যা বলবে, সরকার তা করতে বাধ্য। বাংলাদেশ জনতা ঠিক করবে— আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে চলবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বাংলাদেশ চলবে ছাত্রজনতার কথায়। জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র যতদিন না পাব, ততদিন আমাদের জুলাই বিপ্লবীদের জীবন নিরাপত্তাহীনতায় থাকবে। ইন্টারিম ৩০ কর্মদিবসের কথা বলেছে, আমরা ৩০ কর্মদিবসের সময় দিতে চাই, ৩১ কর্মদিবস হলে আমরা আন্দোলনে নেমে যাব। আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।’
এছাড়াও বলেন, ‘আজ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে, কাল যে আওয়ামী লীগ হয়ে উঠতে চেষ্টা করবে, তাদের রুখে দিতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ ছাত্রজনতার কথায় চলবে।’
উল্লেখ্য, শনিবার (১০ মে) রাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেসসহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছ